যেকোনো জায়গা থেকে, যেকোনো সময়ে – ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডি সহ ৩০+ স্পোর্টসে লাইভ বেট রাখুন সরাসরি আপনার মোবাইলে।
কেন লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশি ব্যবহারকারী Gbajeee অ্যাপ বেছে নেন
মাত্র কয়েকটা ধাপে আপনার মোবাইলে অ্যাপ সেটআপ করুন
| ভার্সন | Android 6.0+ |
| স্টোরেজ | ৪৫ MB |
| RAM | ন্যূনতম ১ GB |
| নেট | ৩G / 4G / WiFi |
| ভার্সন | iOS 13.0+ |
| স্টোরেজ | ৫০ MB |
| ডিভাইস | iPhone 7+ |
| নেট | ৩G / 4G / WiFi |
স্মার্টফোন এখন বাংলাদেশের প্রতিটা মানুষের জীবনের অংশ হয়ে গেছে। সকালে উঠে প্রথমে ফোনটা হাতে নেওয়া থেকে শুরু করে রাতে ঘুমানোর আগে পর্যন্ত – ফোনই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় সঙ্গী। এই বাস্তবতাটা মাথায় রেখেই Gbajeee তার মোবাইল অ্যাপ তৈরি করেছে। শুধু একটা ওয়েবসাইটকে ছোট স্ক্রিনে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়নি – পুরো অ্যাপটা নতুন করে ডিজাইন করা হয়েছে মোবাইল ব্যবহারকারীদের কথা ভেবে।
ঢাকার রাস্তার জ্যামে বসে ক্রিকেট ম্যাচে বেট রাখছেন, চট্টগ্রামের কোনো চায়ের দোকানে বসে ফুটবলের লাইভ স্কোর দেখছেন, বা সিলেট থেকে কাবাডি ম্যাচে বেট করছেন – Gbajeee অ্যাপ সব জায়গায় একই অভিজ্ঞতা দেয়। বাংলাদেশের মোবাইল নেটওয়ার্কের বাস্তবতা বুঝে অ্যাপটা তৈরি করা হয়েছে, তাই ৩G সংযোগেও দারুণ কাজ করে।
অনেকেই হয়তো ভাবেন মোবাইল ব্রাউজারেই তো চালানো যায়, আলাদা অ্যাপ কেন লাগবে? পার্থক্যটা একবার ব্যবহার করলেই বোঝা যায়। অ্যাপ খুললে সাথে সাথে লোড হয়, ব্রাউজারে বারবার ট্যাব খুলতে হয় না। পুশ নোটিফিকেশনের সুবিধা আছে – পছন্দের ম্যাচ শুরু হলে বা বড় কোনো অডস পরিবর্তন হলে সাথে সাথে জানতে পারবেন। লাইভ বেটিংয়ের সময় প্রতিটা সেকেন্ড গুরুত্বপূর্ণ, আর অ্যাপে ডেটা রিফ্রেশ হয় অনেক দ্রুত।
এছাড়া অ্যাপে বায়োমেট্রিক লগইন সাপোর্ট আছে – ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস আইডি দিয়ে সেকেন্ডের মধ্যে লগইন করতে পারবেন। পাসওয়ার্ড টাইপ করার ঝামেলা নেই। একবার সেটআপ করে নিলে লগইন প্রক্রিয়াটা এত সহজ হয়ে যায় যে আলাদাভাবে কোনো কিছু মনে রাখতে হয় না।
Gbajeee-র লাইভ বেটিং ফিচারটা মোবাইল অ্যাপে সবচেয়ে ভালো কাজ করে। স্ক্রিনের একপাশে লাইভ স্কোর, অন্যপাশে অডস – সব একসাথে দেখা যায়। কোনো ম্যাচে উইকেট পড়লে বা গোল হলে অডস রিফ্রেশ হওয়ার আগেই আপনি নতুন বেট ধরতে পারবেন। এই স্পিডটাই লাইভ বেটিংয়ে সবচেয়ে বড় সুবিধা।
ক্যাশ-আউট অপশনটাও মোবাইলে ব্যবহার করা অনেক সহজ। একটা ট্যাপেই বেট বন্ধ করা যায়, আলাদা কোনো কনফার্মেশন পেজে যেতে হয় না। দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এই ছোট সুবিধাটা অনেক কাজে আসে।
Gbajeee অ্যাপে Mobile Pay, Nagad ও রকেটে পেমেন্ট করা একদম সহজ। ডিপোজিট করতে চাইলে অ্যাপের মধ্যে থেকেই Mobile Pay নম্বরে পাঠিয়ে দিন – আলাদা কোনো অ্যাপ বা ব্রাউজার খুলতে হবে না। ডিপ-লিংক ইন্টিগ্রেশনের কারণে পেমেন্ট প্রক্রিয়াটা মাত্র কয়েক সেকেন্ডে শেষ হয়।
উইথড্রয়ালের ক্ষেত্রেও একই সুবিধা। জিতলে সাথে সাথে উইথড্রয়াল রিকোয়েস্ট দিন – বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পাঁচ থেকে দশ মিনিটের মধ্যে আপনার Mobile Pay বা Nagad অ্যাকাউন্টে টাকা চলে আসবে। রাত ২টার সময়ও একই সেবা পাবেন, কারণ Gbajeee-র পেমেন্ট সিস্টেম ২৪ ঘণ্টাই সক্রিয় থাকে।
অনলাইনে টাকার লেনদেনে নিরাপত্তার প্রশ্নটা সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ। Gbajeee অ্যাপে ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন ব্যবহার করা হয়, যা ব্যাংকিং অ্যাপের সমতুল্য। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য বা পেমেন্ট ডেটা কখনো তৃতীয় পক্ষের কাছে যায় না। দ্বি-স্তরীয় যাচাইকরণ চালু থাকলে আপনার পাসওয়ার্ড কেউ জানলেও অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারবে না।
অ্যাকাউন্ট খুলুন এবং প্রথম ডিপোজিটে ১০০% বোনাস পান
বিনামূল্যে নিবন্ধন করুন ইতিমধ্যে অ্যাকাউন্ট আছে? প্রবেশ করুন
সারা বাংলাদেশ থেকে হাজারো মানুষ Gbajeee অ্যাপ ব্যবহার করছেন
"Gbajeee অ্যাপ দিয়ে প্রথমবার বেট করেছিলাম IPL-এ। ভেবেছিলাম ঝামেলা হবে, কিন্তু Mobile Pay-এ ডিপোজিট করার পর পাঁচ মিনিটের মধ্যে সব রেডি। এখন প্রতিটা ম্যাচে ব্যবহার করি।"
"আগে ল্যাপটপ খুলে বেটিং করতাম। মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার শুরু করার পর ল্যাপটপে আর যাই না। লাইভ ম্যাচের সময় নোটিফিকেশন আসে, তাৎক্ষণিক বেট রাখা যায়। একদম পারফেক্ট।"
"বাংলায় সব কিছু থাকায় অনেক সুবিধা হয়েছে। উইথড্রয়ালও দ্রুত – সাধারণত দশ মিনিটের মধ্যে Nagad-এ চলে আসে। অ্যাপটা হালকা, ফোন স্লো হয় না।"
"ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে লগইন করার সুবিধাটা অসাধারণ। ম্যাচের মাঝে দ্রুত অ্যাপ খুলতে হলে পাসওয়ার্ড টাইপ করতে হয় না। Gbajeee অ্যাপ আমার কাছে এখন নম্বর ওয়ান।"
"কক্সবাজারে বেড়াতে গিয়ে সমুদ্রের ধারে বসে ফুটবল ম্যাচে বেট রেখেছি। নেটওয়ার্ক ভালো না থাকলেও অ্যাপ ঠিকঠাক কাজ করেছে। এই অভিজ্ঞতাটা অন্যরকম ছিল।"
"কাস্টমার সাপোর্ট বাংলায় পাওয়া যায়, এটাই সবচেয়ে বড় সুবিধা। একবার পেমেন্টে সমস্যা হয়েছিল, লাইভ চ্যাটে বললাম – পনের মিনিটের মধ্যে সমাধান পেয়েছি।"
Gbajeee অ্যাপ সম্পর্কে যে প্রশ্নগুলো সবচেয়ে বেশি আসে